কেন বিশ্বকাপ ২০২৬ তরুণ তারকাদের দিকে নজর থাকবে?
বিশ্বকাপ মানেই নতুন তারকার জন্ম। ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে অনেক তরুণ খেলোয়াড় রাতারাতি বিশ্বজুড়ে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্টে কয়েকজন প্রতিভাবান ফুটবলার নিজেদের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সুযোগ পেতে যাচ্ছেন। নিকো পাজ, দেসিরে দুয়ে, নিকো ও’রিলি, এন্ড্রিক এবং পেদ্রির মতো তারকারা ইতোমধ্যেই ক্লাব ফুটবলে দারুণ সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন।বিশ্বকাপ ২০২৬ তরুণ তারকা খুঁজে বের করার জন্যও হতে যাচ্ছে আদর্শ এক আসর।
নিকো পাজ: আর্জেন্টিনার নতুন জাদুকর
সাবেক আর্জেন্টাইন ফুটবলার পাবলো পাজের ছেলে নিকো পাজ। স্পেনে জন্ম ও বেড়ে উঠলেও পাজ বেছে নিয়েছেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার আকাশী-সাদা জার্সি। রিয়াল মাদ্রিদ একাডেমির এই চমৎকার সৃষ্টি গত দুই বছর ধরে ইতালিয়ান ক্লাব কোমোতে সেস ফ্যাব্রিগাসের অধীনে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। মাত্র ২১ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের পারফরম্যান্স দেখে রিয়াল মাদ্রিদ ইতিমধ্যেই তাদের ‘বাইব্যাক ক্লজ’ ব্যবহার করে তাঁকে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
দুর্দান্ত টেকনিক্যাল স্কিল আর দূরপাল্লার শটে গোল করার সহজাত ক্ষমতার কারণে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর নজর এখন পাজের ওপর। এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি যখন কিংবদন্তি লিওনেল মেসির ওয়ার্কলোড বা খেলার সময় ম্যানেজ করার কথা ভাবছেন, তখন মেসির সেই শূন্যস্থান পূরণের কঠিন কিন্তু রোমাঞ্চকর দায়িত্বটা পড়তে পারে পাজের কাঁধেই।
দেসিরে দুয়ে: ফ্রান্সের নতুন আক্রমণভাগের রত্ন

মাত্র ২০ বছর বয়সী দেসিরে দুয়ে ইতিমধ্যেই ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। গত বছর প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) জার্সিতে ইন্টার মিলানকে গুঁড়িয়ে দিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে জোড়া গোলসহ জিতেছিলেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। তবে আন্তর্জাতিক ফুটবলের কোনো বড় টুর্নামেন্টে এটাই হতে যাচ্ছে ফরাসি এই তরুণের প্রথম অভিজ্ঞতা।
কিলিয়ান এমবাপে, ব্যালন ডি’অর জয়ী উসমান দেম্বেলে কিংবা বায়ার্ন মিউনিখের মাইকেল অলিসের মতো তারকাখচিত ফরাসি আক্রমণভাগে শুরুর একাদশে জায়গা পাওয়াটা দুয়ের জন্য একরকম যুদ্ধই বলা চলে। তবে কোচ দিদিয়ের দেশমকে নিজের সামর্থ্যের জানান দিতে ভুল করেননি তিনি। বিশ্বকাপ ২০২৬ তরুণ তারকা গত মার্চে কলম্বিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ৩-১ ব্যবধানের জয়ের রাতে জোড়া গোল করে দলে নিজের জোরালো দাবি জানিয়ে রেখেছেন এই পিএসজি তারকা।
বিশ্বকাপের ট্রফি ধরে রাখার মিশনে আর্জেন্টিনার নিকো পাজ কিংবা মুকুট পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে ফ্রান্সের দেজিরে দুয়ে—এই দুই তরুণের কেউ একজন যদি ২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা উদীয়মান তারকা হয়ে যান, তবে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না!
নিকো ও’রিলি: ইংল্যান্ডের বহুমুখী প্রতিভা
মাত্র ২১ বছর বয়সেই পেপ গার্দিওলার ভরসার পাত্র হয়ে ম্যানচেস্টার সিটির নিয়মিত মুখ বনে গেছেন নিকো ও’রিলি। গত মার্চে আর্সেনালকে হারিয়ে সিটির লিগ কাপ জয়ের ফাইনালে লেফট-ব্যাক পজিশন থেকে জোড়া গোল করেছিলেন এই তরুণ। অথচ ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি ছিলেন একজন গোলস্কোরিং মিডফিল্ডার। ও’রিলির উচ্চতা, গতি এবং স্কিলের দারুণ মিশ্রণকে রক্ষণভাগ থেকে আক্রমণের অস্ত্র হিসেবে চমৎকারভাবে ব্যবহার করেছেন গার্দিওলা। বিশ্বকাপ ২০২৬ তরুণ তারকা তালিকায় আর সেটাই হয়তো ইংল্যান্ডের নতুন কোচ টমাস টুখেলের একটা বড় সমস্যারও সমাধান করে দিয়েছেন এই মাস্টারমাইন্ড।
২০২৪ ইউরোতে অধিকাংশ ম্যাচেই ফিট লেফট-ব্যাক ছাড়া খেলতে হয়েছিল থ্রি-লায়ন্সদের, যার বড় কারণ ছিল লুক শর চোট। ও’রিলির এই উত্থানে ইংল্যান্ড এখন স্বস্তিতে। ও’রিলিকে নিয়ে গার্দিওলার মুগ্ধতাও কম নয়, ‘কী দারুণ একজন খেলোয়াড়! সে অবিশ্বাস্য এক ধাপ ওপরে উঠেছে। প্রচুর ম্যাচ খেলছে ঠিকই, তবে সে এটার যোগ্য।’
এন্ড্রিক: ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ গোলমেশিন
মাত্র ১৬ বছর বয়সে পালমেইরাসের হয়ে অভিষেক, আর ১৮ বছর ছোঁয়ার আগেই যাঁকে দলে ভিড়িয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ—সেই এন্ড্রিকের বিশ্বকাপ রাঙানোর স্বপ্নটা নতুন করে ডানা মেলেছে ফরাসি ক্লাব লিওঁতে ধারে খেলতে গিয়ে। দুই বছর আগে ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়সূচক গোল করে রোনালদো নাজারিওর পর ব্রাজিলের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা হিসেবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন।
রিয়ালে যোগ দেওয়ার পর অবশ্য কিলিয়ান এমবাপে এবং ভিনিসিউস জুনিয়রের ছায়ায় ঢাকা পড়ে যান ১৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড এন্দ্রিক। অবশেষে গত জানুয়ারিতে ফ্রান্সে পাড়ি জমানোর পর থেকেই আবার নিজের চেনা ছন্দ ফিরে পেয়েছেন তিনি। বিশ্বকাপ ২০২৬ তরুণ তারকা একটু খাটো অথচ শক্তিশালী গড়নের কারণে ব্রাজিলের আরেক কিংবদন্তি রোমারিওর সাথে প্রায়ই তুলনা করা হয় এন্ড্রিকের। ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ৫ গোল করে ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন রোমারিও। এবার ২০২৬ সালেও সেই মার্কিন মুলুকেই রোমারিওর সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করতে চাইবেন এই তরুণ সেলেসাও তারকা।
পেদ্রি: স্পেনের মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রক

স্প্যানিশ ফুটবলের চিরচেনা পাসিং ফুটবলের নতুন ‘মেট্রোনম’ বা তালরক্ষক বলা যায় পেদ্রিকে। বার্সেলোনা এবং স্পেন জাতীয় দল—উভয় জায়গাতেই কিংবদন্তি জাভি হার্নান্দেজের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন এই মিডফিল্ডার। ২০২০ ইউরোতে মাত্র ১৮ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ফুটবলের স্পটলাইটে এসেছিলেন মাঝমাঠের জাদুকর। এরপর দুই বছর আগে, স্পেনের ইউরোপ জয়ের মিশনেও তিনি ছিলেন অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। যদিও চোটের কারণে সেবার সেমিফাইনাল এবং ফাইনালে মাঠে নামা হয়নি তাঁর।বিশ্বকাপ ২০২৬ তরুণ তারকা
বার্সেলোনার হয়ে অবশ্য কোচ হান্সি ফ্লিকের অধীনে নিজের চোটের সমস্যাকে পেছনে ফেলেছেন পেদ্রি। গত দুই মৌসুমে কাতালানদের টানা দুটি লা লিগা শিরোপা জয়ের পেছনে মাঝমাঠে মূল তারকার ভূমিকা পালন করেছেন এই স্প্যানিশ জিনিয়াস। ২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেনের মাঝমাঠের পুরো নিয়ন্ত্রণটা যে তাঁর পায়েই থাকবে, তা বলাই বাহুল্য
বিশ্বকাপ ২০২৬ তরুণ তারকা তালিকায় নিকো পাজ ও এন্ড্রিকের নাম সবার আগে
Nico Paz ও Endrick-এর নাম সবার আগে উচ্চারিত হচ্ছে। দুজনই ভিন্ন দুই ফুটবল সংস্কৃতির প্রতিনিধি হলেও একটি জায়গায় তাদের মিল স্পষ্ট—অসাধারণ প্রতিভা, বড় মঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করার সাহস এবং ভবিষ্যতে নিজ নিজ জাতীয় দলের মূল তারকা হয়ে ওঠার সম্ভাবনা।
নিকো পাজ আর্জেন্টিনার নতুন প্রজন্মের সবচেয়ে আলোচিত মিডফিল্ডারদের একজন। স্পেনে জন্ম হলেও তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলে আর্জেন্টিনাকে বেছে নিয়েছেন। দুর্দান্ত বল নিয়ন্ত্রণ, সৃজনশীল পাস এবং দূরপাল্লার শটের কারণে অনেকেই তাকে ভবিষ্যতের প্লেমেকার হিসেবে দেখছেন। লিওনেল মেসির পর আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগে নতুন মাত্রা যোগ করার সামর্থ্য রয়েছে তার। যদি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ তিনি সুযোগ পান, তাহলে খুব দ্রুতই বিশ্ব ফুটবলে নিজের নাম প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।
অন্যদিকে এন্ড্রিক ব্রাজিলের অন্যতম বড় আশা। খুব অল্প বয়সেই তিনি অসাধারণ গোল করার ক্ষমতা দিয়ে সবার নজর কেড়েছেন।বিশ্বকাপ ২০২৬ তরুণ তারকা তালিকায় শক্তিশালী শারীরিক গঠন, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা এবং নিখুঁত ফিনিশিং তাকে প্রতিপক্ষের জন্য ভয়ংকর করে তুলেছে। ব্রাজিলের ফুটবল ঐতিহ্যে রোমারিও, রোনালদো এবং নেইমারের মতো তারকাদের ধারাবাহিকতায় এন্ড্রিককে ভবিষ্যতের সুপারস্টার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বিশ্বকাপ ২০২৬ তরুণ তারকা তালিকায় এই দুই খেলোয়াড়ের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কারণ তারা শুধু প্রতিভাবান নন, বরং বড় ম্যাচের চাপ সামলানোর মানসিকতাও দেখিয়েছেন। ক্লাব ফুটবলে তাদের পারফরম্যান্স প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক মঞ্চেও তারা পার্থক্য গড়ে দিতে সক্ষম।
নিকো পাজের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণ গড়ে তোলার দক্ষতা। মাঝমাঠে তার উপস্থিতি পুরো দলের খেলায় ভারসাম্য এনে দিতে পারে। অন্যদিকে এন্ড্রিকের শক্তি হলো গোল করার সহজাত প্রবণতা। বক্সের ভেতরে অল্প সুযোগ পেলেই তিনি ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারেন।
অনেক ফুটবল বিশ্লেষক মনে করেন, ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষে সবচেয়ে বেশি আলোচিত তরুণদের মধ্যে এই দুই নাম নিশ্চিতভাবেই থাকবে। আর্জেন্টিনা যদি শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে এগিয়ে যায়, নিকো পাজ সেখানে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন। একইভাবে ব্রাজিল যদি আবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখে, তাহলে এন্ড্রিক হতে পারেন তাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
নিকো পাজ ও এন্ড্রিকের নাম সবার আগে থাকার কারণ একটাই—তারা দুজনই এমন প্রতিভা, যারা একটি মুহূর্তেই ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে পারেন। ফুটবলপ্রেমীরা এখন অপেক্ষা করছেন, এই দুই তরুণ কীভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চে নিজেদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেন।
বিশ্বকাপ ২০২৬ তরুণ তারকা হিসেবে পেদ্রিও বড় ভূমিকা রাখতে পারেন
Pedri ইতোমধ্যেই নিজেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বয়স এখনো খুব বেশি না হলেও তার খেলার পরিপক্বতা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করার দক্ষতা অনেক অভিজ্ঞ ফুটবলারের চেয়েও উন্নত। তাই বিশ্বকাপ ২০২৬ তরুণ তারকা তালিকায় পেদ্রির নাম থাকা মোটেও অবাক করার মতো নয়।
স্পেন জাতীয় দলের মাঝমাঠে পেদ্রি এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের একজন। বল পায়ে তার স্বাভাবিকতা, চাপের মধ্যে ঠান্ডা মাথায় খেলা এবং নিখুঁত পাস দেওয়ার ক্ষমতা স্পেনকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেয়। প্রতিপক্ষের ডিফেন্স ভাঙার জন্য প্রয়োজনীয় সৃজনশীলতা এবং খেলার ছন্দ ধরে রাখার দক্ষতা তাকে আলাদা করে তুলেছে।
অনেকেই পেদ্রিকে কিংবদন্তি Xavi Hernández এবং Andrés Iniesta-র উত্তরসূরি হিসেবে দেখেন। কারণ তার খেলায় একই সঙ্গে রয়েছে ধৈর্য, কৌশল এবং বুদ্ধিমত্তা। মাঝমাঠ থেকে পুরো দলের আক্রমণ ও রক্ষণকে সংযুক্ত করার বিরল ক্ষমতা তার রয়েছে।
ক্লাব ফুটবলে FC Barcelona-এর হয়ে পেদ্রি ধারাবাহিকভাবে অসাধারণ পারফর্ম করছেন। বড় ম্যাচে তার প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা যায়। যখন তিনি মাঠে থাকেন, দল অনেক বেশি সংগঠিত ও আত্মবিশ্বাসী মনে হয়। চোটের সমস্যা কাটিয়ে ফিরে এসে তিনি আবার নিজের সেরা ছন্দে পৌঁছেছেন।
বিশ্বকাপ ২০২৬-এ স্পেন যদি শিরোপার লড়াইয়ে এগিয়ে যেতে চায়, তাহলে পেদ্রির ভূমিকা হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ, আক্রমণ তৈরি এবং ম্যাচের গতি ঠিক রাখার দায়িত্ব অনেকটাই তার কাঁধে থাকবে। প্রতিপক্ষের চাপের মধ্যেও খেলার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার যে ক্ষমতা তার রয়েছে, সেটিই স্পেনের বড় শক্তি।
বিশ্বকাপ ২০২৬ তরুণ তারকা হিসেবে পেদ্রিকে আলাদা করে দেখার কারণ হলো, তিনি শুধু সম্ভাবনাময় নন; তিনি ইতোমধ্যেই বিশ্বমানের পারফরমার। বয়স কম হলেও তার অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বগুণ এবং ম্যাচের ওপর প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা অসাধারণ। তাই ২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেনের সাফল্যের গল্পে পেদ্রি অন্যতম প্রধান চরিত্র হয়ে উঠতে পারেন।
কেন এই তরুণদের দিকে নজর থাকবে?
বিশ্বকাপ ২০২৬ তরুণ তারকা তালিকায় থাকা এই ফুটবলারদের বিশেষত্ব হলো তারা ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারেন।
- অসাধারণ টেকনিক
- বড় ম্যাচে আত্মবিশ্বাস
- সৃজনশীলতা
- গোল করার ক্ষমতা
- আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেকে প্রমাণের তীব্র আকাঙ্ক্ষা
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বকাপ ২০২৬ তরুণ তারকা মধ্য থেকেই কেউ একজন পুরো টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় আবিষ্কার হয়ে উঠতে পারেন।
আরও পড়ুন:বার্সেলোনা কোন দেশের ক্লাব? ইতিহাস, সাফল্য ও বর্তমান দল ২০২৬
তথ্যসূত্র
উপসংহার
বিশ্বকাপ ২০২৬ তরুণ তারকা দেখার জন্য হতে যাচ্ছে দারুণ এক আসর। নিকো পাজ, দেসিরে দুয়ে, এন্ড্রিক, পেদ্রি এবং নিকো ও’রিলির মতো প্রতিভাবান ফুটবলাররা নিজেদের সামর্থ্যের সেরা খেলাটা উপহার দিতে পারলে তারাই হতে পারেন টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় চমক।
