বিশ্বকাপ ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চ। চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টকে ঘিরে কোটি কোটি মানুষের আবেগ, স্বপ্ন এবং প্রত্যাশা জড়িয়ে থাকে। জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপে খেলা প্রায় প্রতিটি ফুটবলারের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি। কিন্তু প্রতিটি বিশ্বকাপের আগে যখন চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়, তখন যেমন অনেকের স্বপ্ন পূরণ হয়, তেমনি বিশ্বকাপ ২০২৬ কিছু তারকার জন্য সেটি হয়ে দাঁড়ায় হতাশার মুহূর্ত।
ফুটবলের ইতিহাস বলছে, বড় টুর্নামেন্টের আগে স্কোয়াড নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক নতুন কিছু নয়। প্রায় প্রতিটি আসরেই এমন কিছু নাম বাদ পড়ে যায়, যাদের অনুপস্থিতি সমর্থকদের বিস্মিত করে। এবারের ক্ষেত্রেও একই দৃশ্য দেখা গেছে। বিশ্বকাপ ২০২৬ বিভিন্ন দেশের কোচরা যখন নিজেদের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছেন, তখন দেখা গেছে ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার বেশ কয়েকজন আলোচিত তারকা জায়গা পাননি।
কেউ চোটের কারণে সুযোগ হারিয়েছেন, কেউ সাময়িক ফর্মহীনতার কারণে পিছিয়ে পড়েছেন, আবার কেউ কোচের কৌশলগত পরিকল্পনার সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই না হওয়ায় বাদ পড়েছেন। অথচ তাদের অনেকেই ক্লাব ফুটবলে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে আসছেন এবং নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণও দিয়েছেন।
বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে আলোচনার বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে এই বাদ পড়া ফুটবলারদের নিয়ে বিতর্ক। কারণ তাদের নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ একাদশ গঠন করলে সেটি কাগজে কলমে বিশ্বের অনেক জাতীয় দলের চেয়েও শক্তিশালী বলে মনে হয়। অভিজ্ঞতা, গতি, সৃজনশীলতা, টেকনিক্যাল দক্ষতা এবং ম্যাচ জেতানোর মানসিকতা—সবকিছুর সমন্বয় রয়েছে এই দলে।
কেন এত বড় তারকারা বাদ পড়লেন?
আধুনিক আন্তর্জাতিক ফুটবলে প্রতিযোগিতা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, ব্রাজিল কিংবা নেদারল্যান্ডসের মতো শক্তিশালী দেশগুলোর দিকে তাকালেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়।
একটি পজিশনের জন্য দুই বা তিনজন নয়, অনেক সময় চারজন পর্যন্ত বিশ্বমানের খেলোয়াড় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ফলে কোচদের সামনে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
একজন খেলোয়াড় ক্লাব পর্যায়ে দুর্দান্ত খেললেও জাতীয় দলের নির্দিষ্ট কৌশলের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে ব্যর্থ হতে পারেন। আবার অনেক সময় অভিজ্ঞতার চেয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এছাড়া ইনজুরি, ফিটনেস এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও বড় ভূমিকা পালন করে।
এই কারণেই এমন অনেক ফুটবলারকে বিশ্বকাপ ২০২৬ এর স্কোয়াডের বাইরে থাকতে হয়েছে, যাদের নাম শুনলে যে কোনো ফুটবলপ্রেমী অবাক হয়ে যাবেন।
সম্ভাব্য ফরমেশন: ৪-৩-৩
এই বঞ্চিত একাদশকে যদি মাঠে নামানো হয়, তাহলে সবচেয়ে কার্যকর ফরমেশন হতে পারে ৪-৩-৩।
গোলকিপার:
ব্র্যান্ডন পিটারসেন
ডিফেন্ডার:
জেরেমি ফ্রিম্পং
হ্যারি ম্যাগুইয়ার
ডিন হুইসেন
আলভারো কারেরাস
মিডফিল্ডার:
অ্যাডাম ওয়ার্টন
এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা
মাতেউস ফার্নান্দেস
ফরোয়ার্ড:
করিম আদেয়েমি
জোয়াও পেদ্রো
মিকা গডটস
এই দলটির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ভারসাম্য। বিশ্বকাপ ২০২৬ রক্ষণভাগে অভিজ্ঞতা, মিডফিল্ডে নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণে গতি সবকিছুর সমন্বয় রয়েছে এখানে।
গোলকিপার: ব্র্যান্ডন পিটারসেন

দক্ষিণ আফ্রিকার ব্র্যান্ডন পিটারসেন এই একাদশের গোলপোস্ট সামলাবেন। কাইজার চিফসের হয়ে সাম্প্রতিক মৌসুমে তার পারফরম্যান্স ছিল প্রশংসনীয়।
গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একাধিক অসাধারণ সেভ করে তিনি দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেছেন। তার অবস্থান নির্বাচন, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং আত্মবিশ্বাস তাকে দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম সেরা গোলরক্ষকে পরিণত করেছে।
অনেক সমর্থক আশা করেছিলেন তাকে জাতীয় দলে দেখা যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোচের পরিকল্পনায় জায়গা হয়নি। দল ঘোষণার পর তার বাদ পড়া নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
রাইট ব্যাক: জেরেমি ফ্রিম্পং
আধুনিক ফুটবলে আক্রমণাত্মক ফুলব্যাকদের গুরুত্ব অনেক বেশি। জেরেমি ফ্রিম্পং সেই ধারার অন্যতম সেরা প্রতিনিধি।
তার গতি, ড্রিবলিং এবং আক্রমণে অংশ নেওয়ার ক্ষমতা অসাধারণ। বল পায়ে নিয়ে দ্রুত উইং ধরে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সঠিক সময়ে ক্রস দিতে পারেন তিনি।
লিভারপুলে যোগ দেওয়ার পর তার পারফরম্যান্স আরও পরিণত হয়েছে। অনেকেই ধারণা করেছিলেন যে নেদারল্যান্ডসের হয়ে বড় ভূমিকা রাখবেন। কিন্তু স্কোয়াড ঘোষণার পর দেখা যায়, তার নাম নেই।
বিশ্বকাপ ২০২৬ এর মতো বড় মঞ্চে এমন একজন গতিশীল খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি নিঃসন্দেহে আলোচনার বিষয়।
সেন্টার ব্যাক: হ্যারি ম্যাগুইয়ার
ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘদিন ধরে নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স করে আসছেন হ্যারি ম্যাগুইয়ার।
ক্লাব ফুটবলে সমালোচনার মুখে পড়লেও জাতীয় দলের জার্সিতে তিনি প্রায়ই নিজের সেরাটা দিয়েছেন। বড় টুর্নামেন্টে তার অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং আকাশপথে আধিপত্য ইংল্যান্ডকে বহুবার সাহায্য করেছে।
টমাস টুখেলের ঘোষিত দলে তার নাম না থাকাটা ছিল বড় চমক। ম্যাগুইয়ার নিজেও হতাশা প্রকাশ করেছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, অভিজ্ঞতার বিচারে তাকে অন্তত স্কোয়াডে রাখা যেত। কারণ বড় ম্যাচে তার উপস্থিতি দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিতে পারত।
সেন্টার ব্যাক: ডিন হুইসেন
স্পেনের তরুণ ডিফেন্ডার ডিন হুইসেনকে ইউরোপের অন্যতম সম্ভাবনাময় সেন্টার ব্যাক হিসেবে দেখা হয়।
বোর্নমাউথে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর তিনি রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন। উচ্চতা, শারীরিক শক্তি এবং বল নিয়ে খেলার দক্ষতা তাকে আধুনিক ডিফেন্ডার হিসেবে আলাদা পরিচয় দিয়েছে।
যদিও সাম্প্রতিক সময়ে তার পারফরম্যান্সে কিছুটা ওঠানামা দেখা গেছে, তবুও অনেকের মতে তিনি স্পেনের স্কোয়াডে থাকার যোগ্য ছিলেন।
তাকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তটি বিশ্বকাপ ২০২৬ এর আগে স্প্যানিশ ফুটবলে অন্যতম আলোচিত ঘটনা হয়ে ওঠে।
লেফট ব্যাক: আলভারো কারেরাস
আলভারো কারেরাসের ফুটবল যাত্রা বেশ অনুপ্রেরণাদায়ক।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একাডেমি থেকে উঠে এসে তিনি ইউরোপের অন্যতম বড় ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে জায়গা করে নিয়েছেন।
তার আক্রমণাত্মক মানসিকতা, নিখুঁত ক্রস এবং বল কন্ট্রোল আধুনিক লেফট ব্যাকের জন্য আদর্শ।
তবে মৌসুমের শেষ দিকে ধারাবাহিকতা হারিয়ে ফেলায় জাতীয় দলের চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা পাননি।
ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার: অ্যাডাম ওয়ার্টন

ক্রিস্টাল প্যালেসের তরুণ মিডফিল্ডার অ্যাডাম ওয়ার্টনকে অনেকেই ইংল্যান্ডের ভবিষ্যৎ হিসেবে দেখেন।
তার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করা। তিনি প্রতিপক্ষের প্রেস ভেঙে খেলা গড়ে তুলতে পারেন এবং সঠিক সময়ে আক্রমণ শুরু করতে সক্ষম।
বড় ম্যাচে চাপ সামলানোর ক্ষমতাও রয়েছে তার।
অনেক বিশ্লেষক বিশ্বাস করেন, ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডে তার মতো খেলোয়াড় থাকলে দল আরও ভারসাম্যপূর্ণ হতো।
সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার: এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা
ফ্রান্সের এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম প্রতিভাবান মিডফিল্ডার।
তার বহুমুখী খেলার ক্ষমতা অসাধারণ। ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার, সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার এমনকি লেফট ব্যাক হিসেবেও সমান কার্যকর।
রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে বড় বড় ম্যাচে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি।
অনেকের ধারণা ছিল, ফ্রান্সের মিডফিল্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। কিন্তু কোচ দিদিয়ের দেশম অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের ওপর আস্থা রাখায় তার সুযোগ হয়নি।
বিশ্বকাপ ২০২৬ এর স্কোয়াডে তার অনুপস্থিতি অনেক সমর্থকের কাছে বিস্ময়কর লেগেছে।
সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার: মাতেউস ফার্নান্দেস
পর্তুগালের মিডফিল্ডে জায়গা পাওয়া বর্তমানে অত্যন্ত কঠিন।
ব্রুনো ফার্নান্দেস, ভিতিনিয়া এবং জোয়াও নেভেসের মতো তারকার ভিড়ে সুযোগ পাওয়া সহজ নয়।
মাতেউস ফার্নান্দেস পরিশ্রমী, ট্যাকটিক্যালি সচেতন এবং বল দখলে রাখার ক্ষেত্রে দক্ষ। কিন্তু তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে শেষ পর্যন্ত জায়গা হয়নি।
তবুও এই একাদশে তিনি মিডফিল্ডের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
রাইট উইং: করিম আদেয়েমি
করিম আদেয়েমির নাম শুনলেই প্রথম যে বিষয়টি মাথায় আসে, তা হলো গতি।
খোলা জায়গা পেলেই তিনি প্রতিপক্ষের ডিফেন্সকে সমস্যায় ফেলে দিতে পারেন।
বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে বড় ম্যাচগুলোতে তার পারফরম্যান্স প্রমাণ করেছে যে তিনি যেকোনো সময় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম।
যদিও সাম্প্রতিক সময়ে ফর্ম ও ইনজুরির সমস্যা তাকে পিছিয়ে দিয়েছে, তবুও তার প্রতিভা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই।
স্ট্রাইকার: জোয়াও পেদ্রো
এই তালিকার সবচেয়ে বিস্ময়কর বাদ পড়া নামগুলোর একটি হলো জোয়াও পেদ্রো।
চেলসির হয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করার পরও তিনি ব্রাজিলের চূড়ান্ত স্কোয়াডে জায়গা পাননি বিশ্বকাপ ২০২৬।
তার গোল করার ক্ষমতা, বল ধরে রাখার দক্ষতা এবং আক্রমণভাগে সৃজনশীল ভূমিকা তাকে আলাদা করে তোলে।
বিশ্লেষকদের মতে, তাকে দলে রাখলে ব্রাজিলের আক্রমণভাগ আরও বৈচিত্র্যময় হতে পারত।
লেফট উইং: মিকা গডটস
বেলজিয়ামের তরুণ তারকা মিকা গডটসকে অনেকেই ভবিষ্যতের সুপারস্টার হিসেবে বিবেচনা করেন।
আয়াক্সের হয়ে তার পারফরম্যান্স ছিল নজরকাড়া। গতি, ড্রিবলিং এবং সৃজনশীলতার সমন্বয়ে তিনি প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারেন।বিশ্বকাপ ২০২৬ আন্তর্জাতিক অভিষেকেও নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়েছিলেন তিনি।
তবুও জাতীয় দলের স্কোয়াডে জায়গা না পাওয়ায় সমর্থকরা হতাশ হয়েছেন।
এই একাদশ কি সত্যিই যেকোনো দলকে হারাতে পারে?
কাগজে কলমে বিচার করলে উত্তরটি ‘হ্যাঁ’।
ডিফেন্সে ম্যাগুইয়ার, হুইসেন, ফ্রিম্পং এবং কারেরাসের মতো খেলোয়াড়।
মিডফিল্ডে কামাভিঙ্গা, ওয়ার্টন ও ফার্নান্দেস।
আক্রমণে আদেয়েমি, পেদ্রো এবং গডটস।
এই সমন্বয় যেকোনো জাতীয় দলের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হওয়ার আগেই ফুটবল বিশ্লেষকদের মধ্যে এই বঞ্চিত একাদশ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ এই খেলোয়াড়দের অনেকেই নিজেদের ক্লাবে নিয়মিত পারফর্ম করছেন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অভিজ্ঞতাও রয়েছে।
আরও পড়ুন: কিলিয়ান এমবাপ্পের ট্রেনিং পদ্ধতি
তথ্যসূত্র:FIFA Official Website
উপসংহার
ফুটবল সবসময়ই চমক, আবেগ এবং কঠিন সিদ্ধান্তের খেলা। প্রতিটি বড় টুর্নামেন্টের আগে কিছু সিদ্ধান্ত সমর্থকদের বিস্মিত করে, আবার কিছু সিদ্ধান্ত সময়ের সঙ্গে সঠিক প্রমাণিত হয়।
তবে একটি বিষয় নিশ্চিত বিশ্বকাপ ২০২৬ এই বঞ্চিত একাদশের প্রতিটি খেলোয়াড় আন্তর্জাতিক মানের। তাদের নিয়ে গড়া দলটি যেকোনো প্রতিপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারত।
হয়তো তারা মূল টুর্নামেন্টে খেলবেন না, কিন্তু বিশ্বকাপ ২০২৬ নিয়ে আলোচনায় তাদের নাম দীর্ঘদিন ধরে উচ্চারিত হবে। কারণ কখনো কখনো মাঠে না নামলেও একজন ফুটবলারের সামর্থ্য এবং প্রভাব তাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখার জন্য যথেষ্ট।
